বেহাল হয়ে পড়েছে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড় সংলগ্ন ৩শ’ গজ রাস্তা!
বছর খানেক ধরে বেহাল হয়ে পড়েছে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে ময়লাপোতা অভিমুখে শের-এ বাংলা সড়কের ৩শ’ গজ। ফলে ওই সড়কে চলাচলে জনসাধারনের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্ঘটনা ঘটছে।
জানা গেছে, নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পাওয়ার হাউজ থেকে ময়লাপোতা সড়ক। রেলস্টেশনসহ ফেরিঘাট, ডাকবাংলা এলাকার বেশির ভাগ যাত্রী ওই সড়ক ব্যবহার করে। এছাড়া সড়কটি ঘিরে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ, ব্যাংক, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ও গ্যারেজসহ অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বছর খানেক ধরে শের-এ বাংলা সড়কের (সিটি কর্পোরেশন গ্যারেজ সংলগ্ন)
৩শ’ গজ এখন খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির সময়ে বড় বড় ওইসব খানা খন্দে হাটু পানি জমে যায়। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমেও বিড়ম্বনার শেষ নেই। তবে এ নিয়ে সড়ক বিভাগের কোন মাথা ব্যথা নেই। ফলে ওই সড়কে চলাচলে জনসাধারনের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্রের এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছে। খাল-খন্দে ইট বিছিয়ে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করা হলেও কিছুদিন পর ফের যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। কিন্তু স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হচ্ছে না। ফলে জনসাধারনের অন্যপথে ঘুরে গন্তব্যে যাওয়া লাগছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাস বলেন, সড়কটি সংস্কারে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। শিগগিরই টেন্ডার আহ্বান করে সড়কটি সংস্কার করা হবে।
জানা গেছে, নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পাওয়ার হাউজ থেকে ময়লাপোতা সড়ক। রেলস্টেশনসহ ফেরিঘাট, ডাকবাংলা এলাকার বেশির ভাগ যাত্রী ওই সড়ক ব্যবহার করে। এছাড়া সড়কটি ঘিরে বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ, ব্যাংক, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ও গ্যারেজসহ অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বছর খানেক ধরে শের-এ বাংলা সড়কের (সিটি কর্পোরেশন গ্যারেজ সংলগ্ন)
৩শ’ গজ এখন খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির সময়ে বড় বড় ওইসব খানা খন্দে হাটু পানি জমে যায়। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমেও বিড়ম্বনার শেষ নেই। তবে এ নিয়ে সড়ক বিভাগের কোন মাথা ব্যথা নেই। ফলে ওই সড়কে চলাচলে জনসাধারনের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শহরের প্রাণকেন্দ্রের এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছে। খাল-খন্দে ইট বিছিয়ে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করা হলেও কিছুদিন পর ফের যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। কিন্তু স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হচ্ছে না। ফলে জনসাধারনের অন্যপথে ঘুরে গন্তব্যে যাওয়া লাগছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাস বলেন, সড়কটি সংস্কারে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। শিগগিরই টেন্ডার আহ্বান করে সড়কটি সংস্কার করা হবে।


No comments