নগরীতে গ্রেফতার অভিযানে পুলিশিং কমিটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে : দাবি বিএনপি’র
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ৮টি থানা এলাকায় বিএনপি কর্মীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পুলিশিং কমিটির সদস্যরা বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের বাড়ি দেখিয়ে দিচ্ছেন পুলিশকে। মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময়, বাজারে যাওয়ার সময় এমনকি পরিবারের অসুস্থ সদস্যকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেও বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনা ঘটছে। গতকাল রবিবার দুপুরে বিএনপি কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অভিযোগ করেন দলের নগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তবে এ দাবিকে বানোয়াট বলে উল্লেখ করেছে কেএমপি।
বিএনপি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ২০১৭ সালে নগরীতে বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা ৬৪টি মামলায় আদালতে ১২২টি চার্জশীট দাখিল হয়েছে। এছাড়া গত দু’মাসে কেএমপির ৮ থানায় ১৭টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত নগরীতে বিএনপি’র ৯১ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ এহসান শাহ বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিকে এ কাজে ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। পুলিশিং কমিটিতে স্ব স্ব এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। তারা ওই সকল এলাকার ছোট ছোট সমস্যাগুলো নিরসনে কাজ করে থাকেন। বিএনপি’র এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট গল্প বলেও দাবি করেন তিনি।
কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, থানায় বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন আসামিদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়। এখানে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্যদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ কোন মামলার আসামি গ্রেফতারের কাজে কখনই পুলিশিং কমিটিকে ব্যবহার করেনা। বিএনপি’র এ দাবিকে উদ্দেশ্যমূলক বলে জানান তিনি।
বিএনপি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ২০১৭ সালে নগরীতে বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা ৬৪টি মামলায় আদালতে ১২২টি চার্জশীট দাখিল হয়েছে। এছাড়া গত দু’মাসে কেএমপির ৮ থানায় ১৭টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত নগরীতে বিএনপি’র ৯১ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ এহসান শাহ বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিকে এ কাজে ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। পুলিশিং কমিটিতে স্ব স্ব এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। তারা ওই সকল এলাকার ছোট ছোট সমস্যাগুলো নিরসনে কাজ করে থাকেন। বিএনপি’র এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট গল্প বলেও দাবি করেন তিনি।
কেএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, থানায় বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত ও সন্দেহভাজন আসামিদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়। এখানে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্যদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। পুলিশ কোন মামলার আসামি গ্রেফতারের কাজে কখনই পুলিশিং কমিটিকে ব্যবহার করেনা। বিএনপি’র এ দাবিকে উদ্দেশ্যমূলক বলে জানান তিনি।


No comments