কাউন্সিলর স্বপনকে শোকজ : ব্যাখ্যা আজ
নিষেধাজ্ঞা না মেনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ২১ নং কাউন্সিলর সামছুজ্জামান মিয়া স্বপনকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল শনিবার বিকেলে রিটার্নিং অফিসার এ শোকজ করেন। একই সাথে তাকে আজ রবিবারের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে ২১নং ওয়ার্ড এলাকায় মেয়র প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে সমাবেশ করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুচ আলী বলেন, গত শুক্রবার বিকেলে ২১নং ওয়ার্ডের ৫নং ঘাট এলাকায় এরশাদ আলী মাঠে একটি সমাবেশ হয়েছে এমন অভিযোগ দিয়েছিলেন বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এরপর ওই এলাকায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যান এবং অনুসন্ধান শেষে সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু তারপরও সমাবেশ হয়েছে। এর ফলে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সামছুজ্জামান মিয়া স্বপনকে শোকজ করা হয়েছে। তাকে রবিবারের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
কাউন্সিলর সামছুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, মহান মে দিবস পালনের জন্য পেশাজীবী শ্রমিক লীগের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা করা হয়। সেখানে আমাকে অতিথি করা হয়। একই সাথে দলের নগর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অতিথি করা হয়েছিল। আমাকে নির্বাচন অফিস থেকে বলা হয়েছে, আপনি কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে কেন সমাবেশে নৌকা মার্কা প্রতীকের ভোট চেয়েছেন। আমি কাল (আজ) রবিবারের মধ্যে জবাব দিব বলে জানিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, ব্যানারে তো দলীয় প্রতীক থাকতেই পারে। নির্বাচন উপলক্ষে না দলীয় প্রতীক তো সব ধরনের সভা সমাবেশেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ইউনুচ আলী বলেন, গত শুক্রবার বিকেলে ২১নং ওয়ার্ডের ৫নং ঘাট এলাকায় এরশাদ আলী মাঠে একটি সমাবেশ হয়েছে এমন অভিযোগ দিয়েছিলেন বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এরপর ওই এলাকায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যান এবং অনুসন্ধান শেষে সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু তারপরও সমাবেশ হয়েছে। এর ফলে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সামছুজ্জামান মিয়া স্বপনকে শোকজ করা হয়েছে। তাকে রবিবারের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
কাউন্সিলর সামছুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, মহান মে দিবস পালনের জন্য পেশাজীবী শ্রমিক লীগের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা করা হয়। সেখানে আমাকে অতিথি করা হয়। একই সাথে দলের নগর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অতিথি করা হয়েছিল। আমাকে নির্বাচন অফিস থেকে বলা হয়েছে, আপনি কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে কেন সমাবেশে নৌকা মার্কা প্রতীকের ভোট চেয়েছেন। আমি কাল (আজ) রবিবারের মধ্যে জবাব দিব বলে জানিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, ব্যানারে তো দলীয় প্রতীক থাকতেই পারে। নির্বাচন উপলক্ষে না দলীয় প্রতীক তো সব ধরনের সভা সমাবেশেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


No comments