সাবেক এমপি গফ্ফার বিশ্বাসের ছেলে ও মেয়ের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
গৃহবধূ সারাহ ফারগুশান তন্নীর মৃত্যুর মামলায় চার্জগঠনের মধ্যদিয়ে বিচার কাজ শুরু করেছে আদালত। মামলায় অভিযুক্ত আসামি নগরীর নুরনগরস্থ বিশ্বাসপাড়ার বাসিন্দা সোহেল বিশ্বাস ও তার বোন ইতি বিশ্বাস। এরা দু’জনই সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের সন্তান। গত ১৮ এপ্রিল খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম এমএলবি মেছবাহ উদ্দিন আহমেদ দণ্ডবিধির ৩০৬ ও ১০৯ ধারায় এ দু’জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। একই সাথে মামলার সাক্ষী গ্রহণের জন্য আগামী ২০ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন।
২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের পুত্রবধূ সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী সারাহ ফারগুশান তন্নীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১২ এপ্রিল তন্নির মা সামিয়া আক্তার বাদী হয়ে খুলনার আমলী আদালতে নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালতের নির্দেশে খালিশপুর থানা পুলিশ সোহেল বিশ্বাস ও ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ৩০২/৩৪ ধারায় তন্নী হত্যা মামলা রেকর্ড করেন (নং-০৫)। এরপর থানা পুলিশের তদন্ত শেষে ইতি বিশ্বাসকে বাদ দিয়ে সোহেল বিশ্বাসকে ৩০৬ ধারায় অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে পুলিশ। ১১ মে ওই চার্জশীটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দাখিল করে বাদী। আদালত মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য সিআইডিতে প্রেরণের আদেশ দেন। সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাহজাহান তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই একই আঙ্গিকে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর এই তদন্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধেও নারাজি পিটিশন দাখিল করে বাদীপক্ষ। এরপর আদালতের আদেশ মোতাবেক শুরু হয় জুডিসিয়াল তদন্ত।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এড. মোমিনুল ইসলাম জানান, মহানগর হাকিম মোঃ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে জুডিসিয়াল তদন্তে ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করা হয়। অবশেষে চলতি বছরের ১ মার্চ চার্জ শুনানী শুরু হয়। গত ১৮ এপ্রিল শুনানী শেষে মামলার আসামি সোহেল বিশ্বাস ও ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু করেছেন আদালত।
উল্লেখ্য, নগরীর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রথমবর্ষের ছাত্রী সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের পুত্রবধূ সারাহ ফারগুশান তন্নীকে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়। তার স্বামী সোহেল বিশ্বাস ও ননদ ইতি বিশ্বাস নির্যাতনের পর হত্যা করে মৃতদেহ ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালাতে চেয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের পুত্রবধূ সোহেল বিশ্বাসের স্ত্রী সারাহ ফারগুশান তন্নীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১২ এপ্রিল তন্নির মা সামিয়া আক্তার বাদী হয়ে খুলনার আমলী আদালতে নালিশী দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালতের নির্দেশে খালিশপুর থানা পুলিশ সোহেল বিশ্বাস ও ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ৩০২/৩৪ ধারায় তন্নী হত্যা মামলা রেকর্ড করেন (নং-০৫)। এরপর থানা পুলিশের তদন্ত শেষে ইতি বিশ্বাসকে বাদ দিয়ে সোহেল বিশ্বাসকে ৩০৬ ধারায় অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে পুলিশ। ১১ মে ওই চার্জশীটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দাখিল করে বাদী। আদালত মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য সিআইডিতে প্রেরণের আদেশ দেন। সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাহজাহান তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই একই আঙ্গিকে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর এই তদন্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধেও নারাজি পিটিশন দাখিল করে বাদীপক্ষ। এরপর আদালতের আদেশ মোতাবেক শুরু হয় জুডিসিয়াল তদন্ত।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এড. মোমিনুল ইসলাম জানান, মহানগর হাকিম মোঃ আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে জুডিসিয়াল তদন্তে ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করা হয়। অবশেষে চলতি বছরের ১ মার্চ চার্জ শুনানী শুরু হয়। গত ১৮ এপ্রিল শুনানী শেষে মামলার আসামি সোহেল বিশ্বাস ও ইতি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু করেছেন আদালত।
উল্লেখ্য, নগরীর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রথমবর্ষের ছাত্রী সাবেক এমপি আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের পুত্রবধূ সারাহ ফারগুশান তন্নীকে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়। তার স্বামী সোহেল বিশ্বাস ও ননদ ইতি বিশ্বাস নির্যাতনের পর হত্যা করে মৃতদেহ ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালাতে চেয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।


No comments