বটিয়াঘাটার খারাবাদ বাইনতলা কলেজ অধ্যক্ষের অনিয়মের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
বটিয়াঘাটার খারাবাদ বাইনতলা কলেজ অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য, দোকান বরাদ্দ, শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচরণসহ প্রতিষ্ঠানের নাম রাতারাতি পরিবর্তনে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। চার দিন ধরে চলছে এ আন্দোলন। গতকাল শনিবার সকালে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পথসভা, মানববন্ধন ও কলেজ গেটে অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে। অধ্যক্ষের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। অধ্যক্ষের পদত্যাগ না হয় তাহলে কলেজ ঘেরাও এবং পরবর্তীতে অফিসে তালা বন্ধ ও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের না পাঠানোর হুঁশিয়ারী দিয়েছেন অভিভাবকরা।
পথ সভায় বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ কলেজ চত্বরে দোকান বরাদ্দ দিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ১৪ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে কলেজ উন্নয়নের কথা বলে প্রায় ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, যার দৃশ্যমান কোন কাজই হয়নি। আমিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান জিএম মিজানুর রহমান মিলন গোলদার, নাসির উদ্দিন, শামছুর রহমান, হুমায়ুন করিব, মিজানুর রহমান মিজান, জাকির হোসেন, শাহিন শেখ, শেখ সোলাইমান, কতিবুর রহমান, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, আক্তার হোসেন, ফেরদৌস মল্লিক, রেখা বেগম, আফরোজা বেগম, মাহমুদা বেগম, আজিজুল ইসলাম, নিরঞ্জন পাল, ভক্ত পাল, সমাজ সেবক আল মাহমুদ খান প্রমুখ।
অধ্যক্ষ আবুল কাশেম বলেন, গত ২৯ মার্চ বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে এলাকাবাসীর সঙ্গে তার কথাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। আমি এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি। তারই জের ধরে এলাকাবাসী ষড়যন্ত্র করছে। অন্য বিষয়গুলো গুজব।
পথ সভায় বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ কলেজ চত্বরে দোকান বরাদ্দ দিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ১৪ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে কলেজ উন্নয়নের কথা বলে প্রায় ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, যার দৃশ্যমান কোন কাজই হয়নি। আমিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান জিএম মিজানুর রহমান মিলন গোলদার, নাসির উদ্দিন, শামছুর রহমান, হুমায়ুন করিব, মিজানুর রহমান মিজান, জাকির হোসেন, শাহিন শেখ, শেখ সোলাইমান, কতিবুর রহমান, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, আক্তার হোসেন, ফেরদৌস মল্লিক, রেখা বেগম, আফরোজা বেগম, মাহমুদা বেগম, আজিজুল ইসলাম, নিরঞ্জন পাল, ভক্ত পাল, সমাজ সেবক আল মাহমুদ খান প্রমুখ।
অধ্যক্ষ আবুল কাশেম বলেন, গত ২৯ মার্চ বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে এলাকাবাসীর সঙ্গে তার কথাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। আমি এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি। তারই জের ধরে এলাকাবাসী ষড়যন্ত্র করছে। অন্য বিষয়গুলো গুজব।


No comments