২৫ দিনেও ধরা পড়েনি মহেশ্বরপাশায় হত্যা প্রচেষ্টার আসামিরা
দৌলতপুর থানাধিন মহেশ্বরপাশা সড়াডাঙ্গা মাঠের পাশে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা জামাই ও তার পিতাকে হত্যা প্রচেষ্টার আসামিরা ২৫ দিনেও গ্রেফতার হয়নি। এদিকে নিরপত্তাহীনতায় রয়েছে বাদীর পরিবার। আসামিরা স্থানীয় লোক। বাদী অন্য জেলার। আর এ কারণেই প্রতিনিয়ন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে আসামিরা।
মামলায় আসামিরা হলেন খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোল পুরাতন কুয়েট রোডের আনিচ চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের বাসিন্দা মৃত হাসেম আলীর ছেলে মোঃ কবীর সরদার (৫৩) ও তার স্ত্রী বেবী বেগম (৪৫), দিঘলিয়া থানার মহিশখোলা গ্রামের মৃত কাশেম শেখের ছেলে রওশন আলী (৪০) ও বটিয়াঘাটা থানার বার ভূঁইয়া গ্রামের মহর আলীর ছেলে মোঃ জাহিদুর রহমান (৪২)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের বাড়িতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে। তবে তাদের পাওয়া যায়নি। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দৌলতপুর মধ্যডাঙ্গার মোঃ রমিজ উদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম শাওন প্রেম করে বিয়ে করে যোগীপোল এলাকার মোঃ কবীর সরদারে মেয়ের। কিন্তু এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি মেয়ের পরিবার। এর জের ধরে এ বছরের ১৯ ফেব্র“য়ারি শাওনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিষপানে হত্যার চেষ্টা করে। এছাড়া গত ২৪ মার্চ তার স্ত্রীকে দিয়ে মহেশ্বরপাশা উত্তরপাড়া রাবেয়া মঞ্জিলের সামনে ডেকে নিয়ে আসামিরা পিটিয়ে জখম করে শাওনকে। সবশেষ ১১ মে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে বিচারের জন্য ডাকে। রাত ৯টার দিকে রমিজ উদ্দিন ছেলে শরিফুল ইসলাম শাওনকে নিয়ে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় শাওনের শ্বশুর-শাশুড়িসহ আরো ৪/৫ জন তাদের ধরে মারপিট করে এবং দা দিয়ে কোপ দেয়। এতে শাওন মারাত্মক আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় রমিজ উদ্দিন বাদী হয়ে শাওনের শ্বশুর-শাশুড়িসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ২/৩ জনকে আসামি করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আমলী আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেন (৪০৪/১৮)। আদালতের আদেশে মামলাটি দৌলতপুর থানায় রেকর্ড হয় (নং- ০৬, তাং- ০৪/১০/১৮)।
মামলায় আসামিরা হলেন খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোল পুরাতন কুয়েট রোডের আনিচ চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের বাসিন্দা মৃত হাসেম আলীর ছেলে মোঃ কবীর সরদার (৫৩) ও তার স্ত্রী বেবী বেগম (৪৫), দিঘলিয়া থানার মহিশখোলা গ্রামের মৃত কাশেম শেখের ছেলে রওশন আলী (৪০) ও বটিয়াঘাটা থানার বার ভূঁইয়া গ্রামের মহর আলীর ছেলে মোঃ জাহিদুর রহমান (৪২)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের বাড়িতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে। তবে তাদের পাওয়া যায়নি। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দৌলতপুর মধ্যডাঙ্গার মোঃ রমিজ উদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম শাওন প্রেম করে বিয়ে করে যোগীপোল এলাকার মোঃ কবীর সরদারে মেয়ের। কিন্তু এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি মেয়ের পরিবার। এর জের ধরে এ বছরের ১৯ ফেব্র“য়ারি শাওনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিষপানে হত্যার চেষ্টা করে। এছাড়া গত ২৪ মার্চ তার স্ত্রীকে দিয়ে মহেশ্বরপাশা উত্তরপাড়া রাবেয়া মঞ্জিলের সামনে ডেকে নিয়ে আসামিরা পিটিয়ে জখম করে শাওনকে। সবশেষ ১১ মে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে বিচারের জন্য ডাকে। রাত ৯টার দিকে রমিজ উদ্দিন ছেলে শরিফুল ইসলাম শাওনকে নিয়ে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় শাওনের শ্বশুর-শাশুড়িসহ আরো ৪/৫ জন তাদের ধরে মারপিট করে এবং দা দিয়ে কোপ দেয়। এতে শাওন মারাত্মক আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় রমিজ উদ্দিন বাদী হয়ে শাওনের শ্বশুর-শাশুড়িসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ২/৩ জনকে আসামি করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আমলী আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেন (৪০৪/১৮)। আদালতের আদেশে মামলাটি দৌলতপুর থানায় রেকর্ড হয় (নং- ০৬, তাং- ০৪/১০/১৮)।


No comments