যশোরে মুক্তিযুদ্ধের সংরক্ষণাগার নির্মাণ হয়নি দেড় বছরে
যশোরে গ্যারেজের ভাগাড়ে পড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী সেই জিপ গাড়িটি। অথচ দেড় বছর আগে এ গাড়িটি সংরক্ষণের জন্য ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ডক্টর হুমায়ুন কবীর। কালেক্টরেট চত্বরে দৃশ্যমান সেই ভিত্তিপ্রস্তর ফলক। কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গাড়িটি মেরামতের জন্য রাখা হয়েছে গ্যারেজে। আর প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে রাখা হয়েছে। গাড়িটির মেরামত কাজ শেষ হলেই সংরক্ষণাগার নির্মাণ করে এখানে আনা হবে।
সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, জার্মানির ভক্সেল ভিভার, ব্রান্ডের গাড়িটি ছিল যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের (তৎকালীন মোমিন গার্লস)। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে যশোর অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বহনে গাড়িটি ব্যবহার করেছেন। এই গাড়ির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। গাড়িটি দীর্ঘদিন স্কুল ক্যাম্পাসে অযতœ-অবহেলায় পড়ে ছিল। আবর্জনার ভাগড়ে পড়ে থাকা গাড়ির বেহাল দশা নিয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় চত্বর থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়িটি সংরক্ষণে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অর্থায়নে ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৭ সালের ১৪ জুন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ডক্টর হুমায়ুন কবীর প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দেড় বছর আগে। কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পন্ন হয়নি। আর সেই গাড়িটি পড়ে আছে শহরের একটি গ্যারেজে।
সময় পেরিয়ে গেলেও সংরক্ষণাগারটি কেন নির্মাণ হয়নি, জানতে চাইলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের বরাদ্দ ৮৭ হাজার টাকা উত্তোলন করে রাখা হয়েছে। নির্মাণ কাজ অচিরেই সম্পন্ন হবে। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত গাড়িটির অবস্থা ভালো নয়। এ জন্য মেরামতের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়িটি গ্যারেজে দেয়া হয়েছে। সংরক্ষণের উপযোগী করে তোলার কাজ শেষ হলেই সংরক্ষণাগার নির্মাণ করে দেয়া হবে। এ জন্য খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবদুল আওয়াল বলেন, প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। বন্ধ হয়নি। তবে সংরক্ষণাগারের জায়গাটা একটু পরিবর্তনের চিন্তা ভাবনা করছি। কারণ জনসাধারণের চলাচলের পথ রেখেই নির্ধারিত জায়গার একটু পাশে সংরক্ষণাগারটি নির্মাণ করা যায় কিনা, সেটি আমরা বিবেচনা করছি। দ্রুতই এ কাজ সম্পন্ন হবে।
সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, জার্মানির ভক্সেল ভিভার, ব্রান্ডের গাড়িটি ছিল যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের (তৎকালীন মোমিন গার্লস)। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে যশোর অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বহনে গাড়িটি ব্যবহার করেছেন। এই গাড়ির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। গাড়িটি দীর্ঘদিন স্কুল ক্যাম্পাসে অযতœ-অবহেলায় পড়ে ছিল। আবর্জনার ভাগড়ে পড়ে থাকা গাড়ির বেহাল দশা নিয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় চত্বর থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়িটি সংরক্ষণে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অর্থায়নে ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৭ সালের ১৪ জুন তৎকালীন জেলা প্রশাসক ডক্টর হুমায়ুন কবীর প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দেড় বছর আগে। কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পন্ন হয়নি। আর সেই গাড়িটি পড়ে আছে শহরের একটি গ্যারেজে।
সময় পেরিয়ে গেলেও সংরক্ষণাগারটি কেন নির্মাণ হয়নি, জানতে চাইলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের বরাদ্দ ৮৭ হাজার টাকা উত্তোলন করে রাখা হয়েছে। নির্মাণ কাজ অচিরেই সম্পন্ন হবে। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত গাড়িটির অবস্থা ভালো নয়। এ জন্য মেরামতের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়িটি গ্যারেজে দেয়া হয়েছে। সংরক্ষণের উপযোগী করে তোলার কাজ শেষ হলেই সংরক্ষণাগার নির্মাণ করে দেয়া হবে। এ জন্য খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবদুল আওয়াল বলেন, প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। বন্ধ হয়নি। তবে সংরক্ষণাগারের জায়গাটা একটু পরিবর্তনের চিন্তা ভাবনা করছি। কারণ জনসাধারণের চলাচলের পথ রেখেই নির্ধারিত জায়গার একটু পাশে সংরক্ষণাগারটি নির্মাণ করা যায় কিনা, সেটি আমরা বিবেচনা করছি। দ্রুতই এ কাজ সম্পন্ন হবে।


No comments