পাইকগাছায় ৮ হাজার বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদান : আত্মকর্মী ৭ হাজার
আজ ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস। দিবসটি উপলক্ষে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে র্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
সূত্র মতে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোর মধ্যে যুব উন্নয়ন দপ্তর অন্যতম। সংশ্লিষ্ট দপ্তরটি ১৯৮৫ সালের ২২ জুলাই হতে অত্র উপজেলায় কার্যক্রম শুরু করে। গত ৩ দশকেরও অধিক সময় এলাকার বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম জানান, ১৯৯৫ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আওতায় যুব ঋণ কার্যক্রম শুরু হয়। অত্র কার্যালয়ের মোট ঋণ তহবিল ২৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮শ’ টাকা, ঋণ বিতরণ (ঘূর্নায়মান) ৩ কোটি ১৪ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত ঋণ আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৩৪ টাকা, প্রাপ্য রয়েছে ৫২ লক্ষ ২০১ টাকা। মেয়াদ উত্তীর্ণ খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৭১৮ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সিলিং সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা। অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সিলিং সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার ৯৮%। চলতি অর্থ বছরে ঋণ বিতরণের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ লক্ষ টাকা। যার ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৯০৮ জন বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। চলতি বছরে লক্ষমাত্রা ৪৫০ জনের স্থলে ৯০জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১ হাজার ৮শ’ ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দপ্তরের আওতায় আত্মকর্মীর সংখ্যা ৬ হাজার ৬১৪ জন। অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তর খেলাধুলার উন্নয়নেও কাজ করছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৭। অত্র উপজেলায় নেটওয়ার্কিং এর আওতায় যুুব সংগঠন রয়েছে ২টি। তালিকা ভুক্ত রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত যুব সংগঠন রয়েছে ২৯টি। মোট ৮ জন সফল যুব পুরস্কার প্রাপ্ত যুব এবং ১ জন যুব জাতীয় যুব পুরস্কার পেয়েছে। ১ জন কর্মকর্তা ও ৬ জন কর্মচারী দিয়ে চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম। সফল যুবক বাতিখালী গ্রামের জামিনুর ইসলাম জানান, আমি ২০১৪ সালে যুব উন্নয়ন দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কোয়েল পাখি পালন শুরু করি। কোয়েল পাখি পালন করে বর্তমানে আমি সফল ও স্বাভলম্বি। আমার দেখে আশেপাশের অনেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে কোয়েল পাখি পালন শুরু করেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না জানান, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৩৩.৫ শতাংশ যুব যা সংখ্যায় ৪৮.৩ মিলিয়ন। অর্থাৎ বিশাল যুব জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য বেকার যুবদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে যুব উন্নয়ন দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সূত্র মতে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোর মধ্যে যুব উন্নয়ন দপ্তর অন্যতম। সংশ্লিষ্ট দপ্তরটি ১৯৮৫ সালের ২২ জুলাই হতে অত্র উপজেলায় কার্যক্রম শুরু করে। গত ৩ দশকেরও অধিক সময় এলাকার বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম জানান, ১৯৯৫ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আওতায় যুব ঋণ কার্যক্রম শুরু হয়। অত্র কার্যালয়ের মোট ঋণ তহবিল ২৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮শ’ টাকা, ঋণ বিতরণ (ঘূর্নায়মান) ৩ কোটি ১৪ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত ঋণ আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৩৪ টাকা, প্রাপ্য রয়েছে ৫২ লক্ষ ২০১ টাকা। মেয়াদ উত্তীর্ণ খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৭১৮ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সিলিং সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা। অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সিলিং সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। ক্রমপুঞ্জিত ঋণ আদায়ের হার ৯৮%। চলতি অর্থ বছরে ঋণ বিতরণের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ লক্ষ টাকা। যার ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৯০৮ জন বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। চলতি বছরে লক্ষমাত্রা ৪৫০ জনের স্থলে ৯০জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১ হাজার ৮শ’ ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দপ্তরের আওতায় আত্মকর্মীর সংখ্যা ৬ হাজার ৬১৪ জন। অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তর খেলাধুলার উন্নয়নেও কাজ করছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৭। অত্র উপজেলায় নেটওয়ার্কিং এর আওতায় যুুব সংগঠন রয়েছে ২টি। তালিকা ভুক্ত রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত যুব সংগঠন রয়েছে ২৯টি। মোট ৮ জন সফল যুব পুরস্কার প্রাপ্ত যুব এবং ১ জন যুব জাতীয় যুব পুরস্কার পেয়েছে। ১ জন কর্মকর্তা ও ৬ জন কর্মচারী দিয়ে চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম। সফল যুবক বাতিখালী গ্রামের জামিনুর ইসলাম জানান, আমি ২০১৪ সালে যুব উন্নয়ন দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কোয়েল পাখি পালন শুরু করি। কোয়েল পাখি পালন করে বর্তমানে আমি সফল ও স্বাভলম্বি। আমার দেখে আশেপাশের অনেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে কোয়েল পাখি পালন শুরু করেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না জানান, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৩৩.৫ শতাংশ যুব যা সংখ্যায় ৪৮.৩ মিলিয়ন। অর্থাৎ বিশাল যুব জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ জন্য বেকার যুবদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে যুব উন্নয়ন দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


No comments