নিয়মিত চাঁদা না দেয়ায় কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
নগরীর খালিশপুরের এনলাইটেট কোচিং সেন্টার থেকে নিয়মিত চাঁদা না দেয়ায় কলেজ ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকারি হাজি মুহসিন কলেজের চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্র মোঃ আলমগীর হোসেনকে শিবিরকর্মী বলে পুলিশে সোর্পদ করার পর যাচাই-বাছাই ও কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জানান, সরকারি মুহসিন কলেজ অধ্যক্ষ টি এম জাকির হোসেনের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, গার্লস্ গাইড ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করে। এরপরে সিনিয়র রোভারিয়েট অর্থনীতির শেষ বর্ষের ছাত্র মোঃ আলমগীর হোসেনকে কলেজের চত্বরে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে দুর্বৃত্তরা। রওশন আনিজি অন্তু ও সাজ্জাদের নেতৃত্বে ১০-১২ জন এ হামলা চালিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে শিক্ষকরা এসে তাকে উদ্ধার করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা থানায় ফোন করে শিবির কর্মী আটক করা হয়েছে বলে রোভারিয়েট আলমগীর হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করে। এ সময়ে শিক্ষকদের সামনে আলমগীর পুলিশকে জানায়, গত এক বছর যাবত কোচিংয়ের লভ্যাংশের ২৫ শতাংশ হারে রওশন আনিজি অন্তুকে দিতে হয়েছে। গেল মাসে টেস্ট, প্রিটেস্ট পরীক্ষার কারণে টিউশনি পড়তে না আসায় কেউ টাকা দেয়নি কোচিংয়ে। কয়েক দিন মাসিক চাঁদার জন্য চাপ দিচ্ছিল অন্তু। এর জের ধরেই তাকে মারপিট করা হয়েছে বলে দাবি আহত আলমগীর হোসেনের।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা রওশন আনিজি অন্তু বলেন, “ওই কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের শিবির করতে বলে আলমগীর। সে বলে শিবির করলে লেখাপড়ার সব খবর সে দেবে। দু’মাস আগেও তাকে সতর্ক করেছিলাম। তারপরও সে আমাদের ছেলেদের শিবির করতে বাধ্য করচ্ছিল। সে জন্য ছেলেরা তাকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে। আমি যদি ওর পার্টনার হতাম বা চাঁদা নিতাম তাহলে তো ওকে মারপিট করতাম না, তাই না?”
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, “কিছু ছাত্রনেতা তার কাছে টাকা চায়, তাদের টাকা না দেয়ায় তাকে মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আহতের কাছ থেকে একটা লিখিত অভিযোগ নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। লিখিত অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা জানান, সরকারি মুহসিন কলেজ অধ্যক্ষ টি এম জাকির হোসেনের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, গার্লস্ গাইড ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যরা ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করে। এরপরে সিনিয়র রোভারিয়েট অর্থনীতির শেষ বর্ষের ছাত্র মোঃ আলমগীর হোসেনকে কলেজের চত্বরে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করে দুর্বৃত্তরা। রওশন আনিজি অন্তু ও সাজ্জাদের নেতৃত্বে ১০-১২ জন এ হামলা চালিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে শিক্ষকরা এসে তাকে উদ্ধার করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা থানায় ফোন করে শিবির কর্মী আটক করা হয়েছে বলে রোভারিয়েট আলমগীর হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করে। এ সময়ে শিক্ষকদের সামনে আলমগীর পুলিশকে জানায়, গত এক বছর যাবত কোচিংয়ের লভ্যাংশের ২৫ শতাংশ হারে রওশন আনিজি অন্তুকে দিতে হয়েছে। গেল মাসে টেস্ট, প্রিটেস্ট পরীক্ষার কারণে টিউশনি পড়তে না আসায় কেউ টাকা দেয়নি কোচিংয়ে। কয়েক দিন মাসিক চাঁদার জন্য চাপ দিচ্ছিল অন্তু। এর জের ধরেই তাকে মারপিট করা হয়েছে বলে দাবি আহত আলমগীর হোসেনের।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা রওশন আনিজি অন্তু বলেন, “ওই কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের শিবির করতে বলে আলমগীর। সে বলে শিবির করলে লেখাপড়ার সব খবর সে দেবে। দু’মাস আগেও তাকে সতর্ক করেছিলাম। তারপরও সে আমাদের ছেলেদের শিবির করতে বাধ্য করচ্ছিল। সে জন্য ছেলেরা তাকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে। আমি যদি ওর পার্টনার হতাম বা চাঁদা নিতাম তাহলে তো ওকে মারপিট করতাম না, তাই না?”
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, “কিছু ছাত্রনেতা তার কাছে টাকা চায়, তাদের টাকা না দেয়ায় তাকে মারপিট করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আহতের কাছ থেকে একটা লিখিত অভিযোগ নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে তাকে ছেড়ে দিয়েছি। লিখিত অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”


No comments