কুয়েটের উন্নয়নে একনেকে ৮৩৮ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা অনুমোদন
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রবিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় ৮৩৮ কোটি ৩৬ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকার “খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ” প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে অক্টোবর ২০১৮ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২২ সাল পর্যন্ত। অনুমোদিত এই প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য কাজ এবং অবকাঠামো সমূহের মধ্যে রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ, পুরাতন ভবনসমূহের মেরামত, ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ওয়ারিং ও আনুসাঙ্গিক কাজ, বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগের বৈজ্ঞানিক ও ল্যাব যন্ত্রপাতি ক্রয়, ১০ তলা বিশিষ্ট নতুন একাডেমীক ভবন, ১০ তলা বিশিষ্ট ইনস্টিটিউট ভবন, ৫ তলা বিশিষ্ট ২টি ছাত্র হল ও ২টি ছাত্রী হল, ৫ তলা বিশিষ্ট ফরেন স্টুডেন্ট ডরমেটরী এন্ড ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি এ্যাকোমোডেশন, ৫ তলা পর্যন্ত ২টি ছাত্র হলের আনুভূমিক সম্প্রসারণ, ১০ তলা বিশিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন, ৫ তলা বিশিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ডরমেটরী ভবন, ১০ তলা বিশিষ্ট স্টাফদের আবাসিক ভবন, সোলার সিস্টেম স্থাপনসহ সাবস্টেশন নির্মাণ ইত্যাদি।
এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমির স্বল্পতা অনেকাংশে দূর হবে, অবকাঠামোগত স্বল্পতা থাকবে না। ২০০৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরের পর কয়েক ধাপে উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়া গেলেও ৮৩৮ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার এই বরাদ্দ অতীতের বরাদ্দ সমূহের চেয়ে অনেক বেশী।
এদিকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এযাবতকালের সবচেয়ে বড় অংকের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন তাঁর নিজের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে অক্টোবর ২০১৮ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২২ সাল পর্যন্ত। অনুমোদিত এই প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য কাজ এবং অবকাঠামো সমূহের মধ্যে রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ, পুরাতন ভবনসমূহের মেরামত, ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ওয়ারিং ও আনুসাঙ্গিক কাজ, বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগের বৈজ্ঞানিক ও ল্যাব যন্ত্রপাতি ক্রয়, ১০ তলা বিশিষ্ট নতুন একাডেমীক ভবন, ১০ তলা বিশিষ্ট ইনস্টিটিউট ভবন, ৫ তলা বিশিষ্ট ২টি ছাত্র হল ও ২টি ছাত্রী হল, ৫ তলা বিশিষ্ট ফরেন স্টুডেন্ট ডরমেটরী এন্ড ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি এ্যাকোমোডেশন, ৫ তলা পর্যন্ত ২টি ছাত্র হলের আনুভূমিক সম্প্রসারণ, ১০ তলা বিশিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন, ৫ তলা বিশিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ডরমেটরী ভবন, ১০ তলা বিশিষ্ট স্টাফদের আবাসিক ভবন, সোলার সিস্টেম স্থাপনসহ সাবস্টেশন নির্মাণ ইত্যাদি।
এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমির স্বল্পতা অনেকাংশে দূর হবে, অবকাঠামোগত স্বল্পতা থাকবে না। ২০০৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরের পর কয়েক ধাপে উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়া গেলেও ৮৩৮ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার এই বরাদ্দ অতীতের বরাদ্দ সমূহের চেয়ে অনেক বেশী।
এদিকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এযাবতকালের সবচেয়ে বড় অংকের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন তাঁর নিজের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।


No comments