ভারতে বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হেনস্তার অভিযোগ
ভারতে প্রবেশের সময় এক বাংলাদেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হেনস্তা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে অভিবাসন দপ্তরের বিরুদ্ধে। ওই নারীকে ছয় ঘণ্টা প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। একটা সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই নারী। এরপর তাঁকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত শনিবার ভারতীয় ভূখণ্ডের পেট্রাপোল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আট মাস আগে কলকাতায় ঘুরতে এসে কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আনন্দ দাস গুপ্তের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। ফলে স্বামী আনন্দ দাস গুপ্তের পাসপোর্ট ভারতীয় হলেও তাঁর স্ত্রীর পাসপোর্টটি ছিল বাংলাদেশের। গত ১০ এপ্রিল ওই দম্পতি বিমানে করে বাংলাদেশে যান। এরপর কলকাতায় ফিরতে এই দু’জন সড়কপথে ফিরছিলেন। গত শনিবার সকালে ভারতের পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরে আসেন ওই দম্পতি। এরপর তাঁদের আলাদা আলাদা দেশের পাসপোর্ট দেখে ওই নারীকে আটকে দেন ভারতীয় অভিবাসন কর্মকর্তারা।
ওই নারীর স্বামী আনন্দ দাস গুপ্তের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে জেরা করা হয়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জানার পরও তাঁকে বসতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। জেরার নামে একসময় পেট্রাপোলে ভারতীয় অভিবাসন দপ্তরের এক কর্মী ওই নারীর বাংলাদেশি পাসপোর্টটি ছুড়ে ফেলে দেয়। এতে পাসপোর্টের একাধিক পৃষ্ঠা ছিঁড়ে যায়।
আনন্দ আরো জানান, প্রায় ছয় ঘণ্টার মতো তাঁর স্ত্রীকে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে একসময় তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সেই সময় বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় পেট্রাপোল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই নারী ও তাঁর স্বামী আনন্দকে উদ্ধার করেন। এরপর ওই নারীকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ওই নারীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরের কয়েকজন কর্মীদের বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নারীর স্বামী।
এ বিষয়ে বনগাঁর সাব-ডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) অনিল রায় জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। পেট্রাপোলের অভিবাসন দপ্তরের কর্মীরা ওই বাংলাদেশি নারীকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রেখেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আট মাস আগে কলকাতায় ঘুরতে এসে কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আনন্দ দাস গুপ্তের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। ফলে স্বামী আনন্দ দাস গুপ্তের পাসপোর্ট ভারতীয় হলেও তাঁর স্ত্রীর পাসপোর্টটি ছিল বাংলাদেশের। গত ১০ এপ্রিল ওই দম্পতি বিমানে করে বাংলাদেশে যান। এরপর কলকাতায় ফিরতে এই দু’জন সড়কপথে ফিরছিলেন। গত শনিবার সকালে ভারতের পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরে আসেন ওই দম্পতি। এরপর তাঁদের আলাদা আলাদা দেশের পাসপোর্ট দেখে ওই নারীকে আটকে দেন ভারতীয় অভিবাসন কর্মকর্তারা।
ওই নারীর স্বামী আনন্দ দাস গুপ্তের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে জেরা করা হয়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জানার পরও তাঁকে বসতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। জেরার নামে একসময় পেট্রাপোলে ভারতীয় অভিবাসন দপ্তরের এক কর্মী ওই নারীর বাংলাদেশি পাসপোর্টটি ছুড়ে ফেলে দেয়। এতে পাসপোর্টের একাধিক পৃষ্ঠা ছিঁড়ে যায়।
আনন্দ আরো জানান, প্রায় ছয় ঘণ্টার মতো তাঁর স্ত্রীকে দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে একসময় তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। সেই সময় বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় পেট্রাপোল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই নারী ও তাঁর স্বামী আনন্দকে উদ্ধার করেন। এরপর ওই নারীকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে ওই নারীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরের কয়েকজন কর্মীদের বিরুদ্ধে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নারীর স্বামী।
এ বিষয়ে বনগাঁর সাব-ডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) অনিল রায় জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। পেট্রাপোলের অভিবাসন দপ্তরের কর্মীরা ওই বাংলাদেশি নারীকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রেখেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

No comments